• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

কলেজ পড়ুয়া তরুনীর মহত্ব

rakhi1453148724সিসি ডেস্ক : সোমবার রাতে রাজধানীর দিলকুশা থেকে গুলিস্তান হয়ে হাতিরপুলের বাসায় ফিরছিলেন ইডেন মহিলা কলেজের স্নাতকের ছাত্রী খাদিজাতুন কোবরা ময়না। গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্সের কাছে ট্রাফিক জ্যামে তাকে বহনকারী রিকশাটি থমকে দাঁড়ায়। পাশে তাকাতেই তিনি দেখেন, দেয়াল ঘেঁষে বয়স্ক একটি লোক পড়ে আছেন।

ওই ব্যক্তির পাশ দিয়েই শত শত পথচারী চলে যাচ্ছেন। কেউ তার দিকে ফিরেও তাকাচ্ছেন না। এ অবস্থা দেখে ময়নার মমত্ববোধ জেগে ওঠে। তিনি রিকশা থেকে নেমে পড়েন। পড়ে থাকা ব্যক্তির নাড়ি পরীক্ষা করে এবং নাকের কাছে হাত নিয়ে বুঝতে পারেন, লোকটি তখনও বেঁচে আছেন।

লোকটিকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য পথচারীদের সাহায্য চেয়ে তেমন সাড়া না পাননি ময়না। পরে মামুন নামের এক যুবকের সহায়তায় কাছেই দায়িত্ব পালনরত এক পুলিশ সদস্যের কাছে সাহায্য চেয়ে বিফল হন। একপর্যায়ে ময়না এগিয়ে যান পুলিশ সদস্যটির কাছে। পরে পুলিশের একটি গাড়িতে করে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, ওই ব্যক্তিকে অজ্ঞান করা হয়েছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে ময়না জানতে পারেন, অজ্ঞান ওই ব্যক্তির নাম ইসহাক মিয়া (৫৭)। তার বাড়ি মুন্সীগঞ্জ। তিনি বাড্ডা যাচ্ছিলেন। পথে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন।

ময়না ইসহাক মিয়ার মেয়ে  সাদিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বাবার অবস্থা জানান। সাদিয়া জানান, তার বাবা গত দুদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন।

ইসহাক মিয়ার চিকিৎসা চলছে। রাত পৌনে ১টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি।

রাইজিং বিডি

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ